নিহত তুহিন হাওলাদার ওই এলাকার বাসিন্দা মো. মনির হাওলাদারের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পারিবারিক কলহের জেরে তুহিনের মায়ের দায়ের করা একটি মামলায় তার বাবা বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। অন্যদিকে মা শেফালী বেগম দীর্ঘদিন ধরে বাপের বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। ফলে তুহিন প্রায় একাই বাড়িতে বসবাস করত।
স্থানীয়দের ভাষ্য, সোমবার সকালেও তুহিনের ঘরের দরজা দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকায় প্রতিবেশীদের সন্দেহ হয়। পরে তারা খোঁজ নিতে গিয়ে ঘরের ভেতরে তুহিনের ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান। খবর পেয়ে চরমোন্তাজ পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করেন।
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্বজন ও প্রতিবেশীদের অনেকেই কিশোরটির এমন মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
চরমোন্তাজ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই বেলাল হোসেন জানান, কিশোরটির মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এটি আত্মহত্যা নাকি অন্য কোনো কারণে মৃত্যু হয়েছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটির সব দিক গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।সম্ভাব্য শিরোনাম: